Tuesday, September 8, 2015

সি প্রোগ্রামিং – লেকচার ২: এক্সপ্রেশন, ভেরিয়েবল ও এর নামকরণ এবং রিজার্ভ ওয়ার্ড

এক্সপ্রেশন (Expression)

 কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর জন্য আমরা বিভিন্ন এক্সপ্রেশন ব্যবহার করি।
নীচে কয়েকটি এক্সপ্রেশন দেয়া হলঃ
1+3
5>9
এক্সপ্রেশনগুলোর সবসময় একটা মান থাকে। যেমন প্রথম এক্সপ্রেশনের মান 4. এটা একটা “Numerical Expression”. এই ধরণের এক্সপ্রেশনের মান সে কোন সংখ্যা হতে পারে।
দ্বিতীয় এক্সপ্রেশনটা একটা Boolean Expression. যে ধরণের এক্সপ্রেশনের মান হয় TRUE অথবা FALSE হবে। আমাদের দ্বিতীয় এক্সপ্রেশনের মান FALSE.
আমরা যদি 13 > 6 লিখি তাহলে সেটাও একটা Boolean Expression হবে যার মান TRUE.
আমাদের প্রোগ্রামে উভয় ধরণের এক্সপ্রেশনের বহুল ব্যবহার লক্ষ্য করব।

ভেরিয়েবল


আমরা আমাদের প্রোগ্রাম যে কম্পিউটারে run করব তাতে বিভিন্ন পরিমান RAM বা মেমোরি থাকতে পারে। আমরা 1GB, 2GB, 4GB, 8GB ইত্যাদি সাইজের মেমোরি ক্ষমতার কম্পিউটার দেখে থাকি (২০১২ সাল)। আমরা এখানে মেমোরি বলতে শুধু Random Access Memory বা RAM কেই বোঝাবো।
কম্পিউটারের মেমোরির প্রত্যেকটা বাইটকে একটা সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। একটা কম্পিউটারে 4 গিগাবাইট (4294967296 বাইট) মেমোরি থাকলে আমরা বাইটগুলোকে 0 থেকে 4294967295 পর্যন্ত সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করি। এই সংখ্যাগুলোকে আমরা বলি মেমোরি অ্যাড্রেস (address)। প্রোগ্রাম চলার সময় মেমোরিতে বিভিন্ন মান রাখার দরকার হয়।
যেমন আমরা হয়ত 1000 অ্যাড্রেসে ‘A’ লিখতে চাই। তাহলে সেটা আমরা CPU কে বলতে পারি
[1000] <— ‘A’
কিন্তু এভাবে সংখ্যা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা কুবই অসুবিধাজনক। সেজন্য আমরা মেমোরির বিভিন্ন অ্যাড্রেস না লিখে আমরা অ্যাড্রেসকে চিহ্নিত করার জন্য বিভিন্ন নাম ব্যবহার করি। যেমন 1000 অ্যাড্রেসকে আমরা হয়ত বলতে পারি grade.
তাহলে আমরা CPU কে বলতে পারি grade এর মধ্যে ‘A’ রাখতেঃ
grade <— ‘A’
এখানে একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে এভাবে অ্যাড্রেসকে নামকরণ করা হয় আমাদের মানুষদের বোঝার সুবিধার জন্য। কম্পাইলার এটাকে শেষ পর্যন্ত সংখ্যা দ্বারাই চিহ্নিত করে কিন্তু সেটা আমাদের না জানলেও চলে।
এইভাবে মেমোরি অ্যাড্রেসকে যেসব নাম দ্বারা চিহ্নিত করি সেগুলোকে আমরা বলি ভেরিয়েবল। যেগুলোর মধ্যে যেকোন সময় যেকোন মান রাখতে পারি।

ভেরিয়েবল declaration


আমরা আমাদের প্রোগ্রাম যে কম্পিউটারে run করব তাতে বিভিন্ন পরিমান RAM বা মেমোরি থাকতে পারে। আমরা 1GB, 2GB, 4GB, 8GB ইত্যাদি সাইজের মেমোরি ক্ষমতার কম্পিউটার দেখে থাকি (২০১২ সাল)। আমরা এখানে মেমোরি বলতে শুধু Random Access Memory বা RAM কেই বোঝাবো।
কম্পিউটারের মেমোরির প্রত্যেকটা বাইটকে একটা সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। একটা কম্পিউটারে 4 গিগাবাইট (4294967296 বাইট) মেমোরি থাকলে আমরা বাইটগুলোকে 0 থেকে 4294967295 পর্যন্ত সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করি। এই সংখ্যাগুলোকে আমরা বলি মেমোরি অ্যাড্রেস (address)। প্রোগ্রাম চলার সময় মেমোরিতে বিভিন্ন মান রাখার দরকার হয়।
যেমন আমরা হয়ত 1000 অ্যাড্রেসে ‘A’ লিখতে চাই। তাহলে সেটা আমরা CPU কে বলতে পারি
[1000] <— ‘A’
কিন্তু এভাবে সংখ্যা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা কুবই অসুবিধাজনক। সেজন্য আমরা মেমোরির বিভিন্ন অ্যাড্রেস না লিখে আমরা অ্যাড্রেসকে চিহ্নিত করার জন্য বিভিন্ন নাম ব্যবহার করি। যেমন 1000 অ্যাড্রেসকে আমরা হয়ত বলতে পারি grade.
তাহলে আমরা CPU কে বলতে পারি grade এর মধ্যে ‘A’ রাখতেঃ
grade <— ‘A’
এখানে একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে এভাবে অ্যাড্রেসকে নামকরণ করা হয় আমাদের মানুষদের বোঝার সুবিধার জন্য। কম্পাইলার এটাকে শেষ পর্যন্ত সংখ্যা দ্বারাই চিহ্নিত করে কিন্তু সেটা আমাদের না জানলেও চলে।
এইভাবে মেমোরি অ্যাড্রেসকে যেসব নাম দ্বারা চিহ্নিত করি সেগুলোকে আমরা বলি ভেরিয়েবল। যেগুলোর মধ্যে যেকোন সময় যেকোন মান রাখতে পারি।

ভেরিয়েবল declaration

আমরা আমাদের প্রোগ্রাম যে কম্পিউটারে run করব তাতে বিভিন্ন পরিমান RAM বা মেমোরি থাকতে পারে। আমরা 1GB, 2GB, 4GB, 8GB ইত্যাদি সাইজের মেমোরি ক্ষমতার কম্পিউটার দেখে থাকি (২০১২ সাল)। আমরা এখানে মেমোরি বলতে শুধু Random Access Memory বা RAM কেই বোঝাবো।
 কম্পিউটারের মেমোরির প্রত্যেকটা বাইটকে একটা সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। একটা কম্পিউটারে 4 গিগাবাইট (4294967296 বাইট) মেমোরি থাকলে আমরা বাইটগুলোকে 0 থেকে 4294967295 পর্যন্ত সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করি। এই সংখ্যাগুলোকে আমরা বলি মেমোরি অ্যাড্রেস (address)। প্রোগ্রাম চলার সময় মেমোরিতে বিভিন্ন মান রাখার দরকার হয়।

যেমন আমরা হয়ত 1000 অ্যাড্রেসে ‘A’ লিখতে চাই। তাহলে সেটা আমরা CPU কে বলতে পারি
[1000] <— ‘A’
কিন্তু এভাবে সংখ্যা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা কুবই অসুবিধাজনক। সেজন্য আমরা মেমোরির বিভিন্ন অ্যাড্রেস না লিখে আমরা অ্যাড্রেসকে চিহ্নিত করার জন্য বিভিন্ন নাম ব্যবহার করি। যেমন 1000 অ্যাড্রেসকে আমরা হয়ত বলতে পারি grade.
তাহলে আমরা CPU কে বলতে পারি grade এর মধ্যে ‘A’ রাখতেঃ
grade <— ‘A’
এখানে একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে এভাবে অ্যাড্রেসকে নামকরণ করা হয় আমাদের মানুষদের বোঝার সুবিধার জন্য। কম্পাইলার এটাকে শেষ পর্যন্ত সংখ্যা দ্বারাই চিহ্নিত করে কিন্তু সেটা আমাদের না জানলেও চলে।
এইভাবে মেমোরি অ্যাড্রেসকে যেসব নাম দ্বারা চিহ্নিত করি সেগুলোকে আমরা বলি ভেরিয়েবল। যেগুলোর মধ্যে যেকোন সময় যেকোন মান রাখতে পারি।

ভেরিয়েবল declaration


সি ল্যাংগুয়েজে ভেরিয়েবল ব্যবহার করার জন্য প্রথমে সেটা declare করে নিতে হয়। Declare করা মানে হচ্ছে ভিরিয়েবলের নাম এবং এটার টাইপ প্রথমে লিখে নিতে হবে। কোন কোন ল্যাংগুয়েজে সেটা করকার হয় না।
যেমন:
int number;
এভাবে আমরা একটা পূর্ণ সংখ্যা বা ইন্টেজার ভেরিয়েবল declare করে নিলাম যেটার নাম হচ্ছে number।
একটা ভেরিয়েবলের টাইপ যদি int হয় তরে তার মধ্যে সবসময় (সাধারণত) পূর্ণ সংখ্যাই রাখা যায়।

এসাইনমেন্ট (Assignment)

 সি ল্যাংগুয়েজে ভেরিয়েবল ব্যবহার করার জন্য প্রথমে সেটা declare করে নিতে হয়। Declare করা মানে হচ্ছে ভিরিয়েবলের নাম এবং এটার টাইপ প্রথমে লিখে নিতে হবে। কোন কোন ল্যাংগুয়েজে সেটা করকার হয় না।
যেমন: int number;
এভাবে আমরা একটা পূর্ণ সংখ্যা বা ইন্টেজার ভেরিয়েবল declare করে নিলাম যেটার নাম হচ্ছে number।
 একটা ভেরিয়েবলের টাইপ যদি int হয় তরে তার মধ্যে সবসময় (সাধারণত) পূর্ণ সংখ্যাই রাখা যায়।

এসাইনমেন্ট (Assignment)

আমরা কোন একটা ভেরিয়েবলের মধ্যে যে কোন সময় একটা মান রাখতে পারি বা assign করতে পারি।
এটা করার জন্য প্রথমে আমরা একটা ভেরিয়েবলের নাম লিখে তারপর = চিহ্ন দিয়ে পরে expression লিখব।
যেমন নীচে ২টা উদাহরণ দেয়া হলঃ
number = 5;
number = 3+5-1;
এখানে কম্পিউটার সবসময় প্রথমে ডানপাশের expression এর মান প্রথমে বের করে নিয়ে তারপর = চিহ্নের বামপাশের ভেরিয়েবল এর মধ্যে রাখবে।

Identifier এর নামকরণ

সি ল্যাংগুয়েজে ভেরিয়েবল, ফাংশন ইত্যাদির নামকরণের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আছে।
আমরা এখানে ৪টি সেট তৈরি করি যেসব আমরা আমাদের identifier এর মধ্যে ব্যবহার করতে পারব।
১. _
২. a-z
৩. A-Z
৪. 0-9
শুরুতে ১,২ বা ৩ নম্বর সেট থেকে যেকোন একটা নিতে হবে তারপর ইচ্ছা করলে যেকোন সেট থেকে যেভাবে খুশি চিহ্ন নেয়া যাবে।
সুতরাং identifier এর শুরুতে সংখ্যা (1,2 ইত্যাদি) থাকতে পারবে না। তবে শুরুতে _ (underscore) দেয়া যাবে।
সঠিকঃ
a
abc
num1
CiTy
_salary
member_id
ভুলঃ
2ndcar
customer#








সি প্রোগ্রামিং – লেকচার ১: কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং কম্পিউটারের ডাটা টাইপ

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কি?

কম্পিউটার প্রোগ্রাম হচ্ছে CPU কে দেয়া একটা নির্দিষ্ট Instruction sequence. কম্পিউটার নিজে থেকে কোন কাজ করতে পারে না। কোন কাজের পর কোন কাজ করবে সেগুলো একটার পর একটা প্রোগ্রামে বলে দেয়া হয়। কম্পিউটার প্রোগ্রম কে আমরা রান্নার সাথে তুলনা করতে পারি। যেক্ষেত্রে অধ্যাপিকা সিদ্দিকা করিরের “রান্না খাদ্য পুষ্টি” বইটা হবে এ্কটা প্রোগ্রামিং এর বই। আর CPU হচ্ছে রাঁধুনি। একজন রাঁধুনি এই বইয়ের বিভিন্ন প্রোগ্রাম দেখে বিভিন্ন জিনিস রান্না করতে পারবেন। যেমন আমরা যদি রাঁধুনিকে বলি কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে তাহলে সে প্রথমে কাচ্চি বিরিয়ানি প্রগ্রামটা রান করবে। এই প্রগ্রামে বলে দেয়া আছে কিভাবে কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে হবে। প্রথমে মাংস ধুয়ে লবন মেখে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। তারপর পেয়াজ ঘিয়ে বাদামি করে ভেজে ঠান্ডা হখে গুড়ো করতে হবে। এভাবে নয়টা ইন্সট্রাকশন পরপর দেয়া আছে। যখন একজন রাঁধুনি একটার পর একটা এই ইন্সট্রাকশন গুলো অনুযায়ী কাজ করে যাবে শেষে দেখা যাবে আউটপুট হিসাবে আমরা কাচ্চি বিরিয়ানি পাব। যদি ইন্সট্রাকশন গুলোতে কোন ভুল (আমরা যেটাকে বলব bug) খাকে তাহলে উল্টাপাল্টা রেজাল্ট পাব। ধরা যাক আমাদের রাঁধুনি শুধু ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) ভাষা জানে, তাহলে হয় তাকে ম্যান্ডারিন ভাষায় ইন্সট্রাকশন দিতে হবে, নাহয় একজন দোভাষী অনুবাদক লাগবে (যেটাকে আমরা Compiler বলি)।
 কম্পিউটারকে দিয়ে আমরা একইভাবে কোন একটা কাজ করাতে পারি। তার জন্য একটার পর একটা ইন্সট্রাকশন লিখে দিতে হবে। এই ইন্সট্রাকশন লিখে দেয়ার প্রক্রিয়াটা হচ্ছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং।
 কম্পিউটার প্রোগামিং এর জন্য আমরা C ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করব। কম্পাইলার হিসাবে আপনারা http://ideone.com/ ঠিকানার IDE টা ব্যবহার করতে পারেন প্রাথমিকভাবে।

কম্পিউটারের ডাটা টাইপ


প্রথমটা নাম্বার- বিভিন্ন ধরনের সংখ্যা আমরা ব্যবহার করতে পারি।

15
23.8
-67
-13.78

এরপর আছে String (স্ট্রিং). এক বা একাধিক বর্ণ বা সংখ্যা বা চিহ্ন ব্যবহার করে কোন তথ্য উপস্থাপন করতে হরে আমরা String ব্যবহার করি।
নিচে কিছু String এর উদাহরণ দেয়া হলঃ

“Dhaka”
“বাংলাদেশ”
“সিরাজগঞ্জ-৭”
“১২৫৬”
“12387”
“আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি”

String বোঝানোর জন্য আমরা কোটেশন মার্ক (“) ব্যবহার করি। যেমন 12367 একটা নাম্বার কিন্তু “12367” একটা String।

আর এক ধরণের ডাটা টাইপকে আমরা বলি boolean (বুলিয়ান) বা সংক্ষেপে bool। এটাতে শুধুমাত্র True বা False এই দুইটা মান রাখা যায়।
০ থেকে ৯ ব্যবহার করে যেমন সব সংখ্যা লেখা যায় তেমনি এই তিন ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করে আমরা যে কোন ধরণের ডাটা কম্পিউটারে উপস্থাপন করতে পারি।

C ল্যাংগুয়েজে আমরা যেসব primitive ডাটা টাইপ ব্যবহার করি সেগুলো হলঃ
int, char, short, long, float, double
এই টাইপগুলো ব্যবহার করে সব ধরনের তথ্য উপস্থাপন করা যায়।

Thursday, September 3, 2015

Important Synonyms for Bank Recruitment Exam

ব্যাংক ও বিসিএস এর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ 100 টি Synonyms (বাংলা অর্থ সহকারে )
 1) ABJECT (শোচনীয়):- ⇨ Miserable
2) ABUNDANT (প্রচুর):- ⇨ Plenty
3) ADMONISH (সতর্ক করা):- ⇨ Reprimand
4) ADVERSITY (বিদ্বেষ):- ⇨ Misfortune
5) ALERT (সতর্কতা):- ⇨ Watchful
6) ASCEND (আরোহণ করা):- ⇨ Mount
7) ATTEMPT (প্রচেষ্টা):- ⇨ Try
8) AUGUST (আগস্ট):- ⇨ Dignified
9) AWAKENED (প্রবুদ্ধ):- ⇨ Waken
10) BARE (বেয়ার):- ⇨ Uncovered
11) Barren (অনুর্বর):- ⇨ STERILE
12) BRIEF (সংক্ষিপ্ত):- ⇨ Short
13) BROWSE (ব্রাউজ):- ⇨ Examine
14) CANDID (স্পষ্টবক্তা):- ⇨ Frank
15) CANNY (মিতব্যয়ী):- ⇨ Clever 

 16) COMBAT (যুদ্ধ):- ⇨ Fight
17) COMMENSURATE (তুল্য):- ⇨ Proportionate
18) CONSEQUENCES (ফলাফল):- ⇨ Results
19) CORPULENT (মাংসল):- ⇨ Obese
20) CORRESPONDENCE (চিঠিপত্র):- ⇨ Letters
21) DEBACLE (ছত্রভঙ্গ):- ⇨ Collapse
22) DEIFY (দেবতুল্য করা):- ⇨ Worship
23) DESTITUTION (নি: সঙ্গতা):- ⇨ Poverty
24) DILIGENT (পরিশ্রমী):- ⇨ Hard-working
25) DISTANT (বহুদূরবর্তী):- ⇨ Far
26) DISTINCTION (পার্থক্য):- ⇨ Different
27) DIVERSION (বেষ্টনী):- ⇨ Deviation
28) ECSTATIC (ভাবাবেশকর):- ⇨ Enraptured
29) EMBEZZLE (আত্মসাৎ করা):- ⇨ Misappropriate
30) ENTIRE (সমগ্র):- ⇨ Whole
31) ERROR (ত্রুটি):- ⇨ Blunder
32) EXTRICATE (মুক্ত করা):- ⇨ Free
33) FAKE (জাল):- ⇨ Imitation
34) FEEBLE (দুর্বল):- ⇨ Weak
35) FORAY (হানা):- ⇨ Maraud
36) FRUGALITY (সংযম):- ⇨ Economy
37) FURORE (উন্মাদনা):- ⇨ Excitement
38) GARNISH (আভরণ):- ⇨ Adorn
39) GARRULITY (গল্পপ্রি়তা):- ⇨ Loquaciousness
40) GERMANE (যথাযথ):- ⇨ Relevant
41) GRATIFY (পরিতৃপ্ত করা):- ⇨ Indulge
42) HARBINGER (অগ্রদূত):- ⇨ Forerunner
43) HESITATED (দ্বিধান্বিত):- ⇨ Paused
44) IMPROMPTU (উপস্থিতমত):- ⇨ Offhand
45) IMPROVEMENT (উন্নতি):- ⇨ Betterment
46) INDICT (অভিযুক্ত করা):- ⇨ Accuse
47) INEBRIATE (মাতাল):- ⇨ Drunken
48) INEXPLICABLE (অবক্তব্য):- ⇨ Unaccountable
49) INFAMY (অখ্যাতি):- ⇨ Dishonour
50) INFREQUENT (বিরল):- ⇨ Rare
51) INSOLVENT (দেউলিয়া):- ⇨ Bankrupt
52) INSOMNIA (অনিদ্রা):- ⇨ Sleeplessness
53) INTIMIDATE (ভয় দেখান):- ⇨ Frighten
54) IRONIC (বিদ্রূপাত্মক):- ⇨ Disguisedly sarcastic
55) KEN (KEN):- ⇨ Knowledge
56) LAMENT (পরিতাপ):- ⇨ Complain
57) LAUD (গুণকীর্তন):- ⇨ Praise
58) Lover of art (চারু ও কারু কলা প্রেমিকা):- ⇨ CONNOISSEUR
59) LYNCH (জনতার রায়ে দোষীসাব্যস্ত ব্যক্তিকে শাস্তি বা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া):- ⇨ Kill
60) MASSACRE (গণহত্যার):- ⇨ Slaughter
61) MASTERLY (সুনিপুণ):- ⇨ Waken
62) MAYHEM (মারামারি):- ⇨ Havoc
63) MELD (মেশানো):- ⇨ Merge
64) MENDACIOUS (মিথ্যাবাদী):- ⇨ False
65) MOROSE (বিশুষ্ক):- ⇨ loomy
66) MOVING (চলন্ত):- ⇨ Shifting
67) NEUTRAL (নিরপেক্ষ):- ⇨ Unbiased
68) PIOUS (ধার্মিক):- ⇨ Devout
69) PONDER (চিন্তা করা):- ⇨ Think
70) PRECARIOUS (নিরাপত্তাহীন):- ⇨ Perilous
71) PRESTIGE (প্রতিপত্তি):- ⇨ Name
72) Quarrelsome (খাণ্ডার):- ⇨ CANTANKEROUS
73) RABBLE (জনতা):- ⇨ Mob
74) RANT (গলাবাজি):- ⇨ To preach noisily
75) RECKLESS (উদ্দাম):- ⇨ Rash
76) REFECTORY (ভোজনকক্ষ):- ⇨ Dining Room
77) REPEAL (বাতিল):- ⇨ Cancel
78) REPERCUSSION (প্রতিক্রিয়া):- ⇨ Reaction
79) RESCUE (রেসকিউ):- ⇨ Help
80) RESTRAINT (সংবরণ):- ⇨ Restriction
81) SALACITY (কামুকতা):- ⇨ Indecency
82) SHALLOW (অগভীর):- ⇨ Superficial
83) SHIVER (শিহরণ):- ⇨ Tremble
84) STRINGENT (কঠোর):- ⇨ Rigorous
85) STRINGENT (কঠোর):- ⇨ Strict
86) SYNOPSIS (সারসংক্ষেপ):- ⇨ Summary
87) TACITURNITY (অল্পভাষিতা):- ⇨ Reserve
88) TEPID (কুসুম কুসুম গরম):- ⇨ Warm
89) TIMID (ভীরু):- ⇨ Shy
90) TORTURE (নির্যাতন):- ⇨ Torment
91) TRANSIENT (অস্থায়ী):- ⇨ Fleeting
92) TURN UP (উজ্জ্বলতর করা):- ⇨ Show up
93) UNCOUTH (অমার্জিত):- ⇨ Rough
94) UNITE (ঐক্যবদ্ধ):- ⇨ Combine
95) VENT (VENT):- ⇨ Opening
96) VENUE (স্থান):- ⇨ Place
97) VORACIOUS (অতিশয় লোভপূর্ণ):- ⇨ Greedy
98) WARRIOR (যোদ্ধা):- ⇨ Soldier
99) WARY (সতর্ক):- ⇨ vigilant
100) WRETCHED (হতভাগ্য):- ⇨ Poor
101) ZANY (বোকা লোক):- ⇨ Clown

Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows)

 কম্পিউটারের কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট ব্যবহার

1. CTRL+C (Copy)
2. CTRL+X (Cut)
3. CTRL+V (Paste)
4. CTRL+Z (Undo)
5. DELETE (Delete)
6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)
7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item)
8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)
9. F2 key (Rename the selected item)
10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)
11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)
12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)
13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)
14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)
SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)
15. CTRL+A (Select all)
16. F3 key (Search for a file or a folder)
17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item)
18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)
19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)
20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)
21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly)
22. ALT+TAB (Switch between the open items)
23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)
24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)
25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)
26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)
27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window)
28. CTRL+ESC (Display the Start menu)
29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command)
30. F10 key (Activate the menu bar in the active program)
31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu)
32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu)
33. F5 key (Update the active window)
34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer)
35. ESC (Cancel the current task)
36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing)

Dialog Box – Keyboard Shortcuts
1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs)
2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs)
3. TAB (Move forward through the options)
4. SHIFT+TAB (Move backward through the options)
5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option)
6. ENTER (Perform the command for the active option or button)
7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box)
8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons)
9. F1 key (Display Help)
10. F4 key (Display the items in the active list)
11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box)
Microsoft Natural Keyboard Shortcuts
1. Windows Logo (Display or hide the Start menu)
2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box)
3. Windows Logo+D (Display the desktop)
4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows)
5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows)
6. Windows Logo+E (Open My Computer)
7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder)
8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers)
9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help)
10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
11. Windows Logo+R (Open the Run dialog box)
12. Windows Logo+U (Open Utility Manager)
13. Accessibility Keyboard Shortcuts
14. Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off)
15. Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off)
16. Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off)
17. SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off)
18. NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off)
19. Windows Logo +U (Open Utility Manager)
20. Windows Explorer Keyboard Shortcuts
21. END (Display the bottom of the active window)
22. HOME (Display the top of the active window)
23. NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder)
24. NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)
MMC COnsole Windows Shortcut keys
1. SHIFT+F10 (Display the Action shortcut menu for the selected item)
2. F1 key (Open the Help topic, if any, for the selected item)
3. F5 key (Update the content of all console windows)
4. CTRL+F10 (Maximize the active console window)
5. CTRL+F5 (Restore the active console window)
6. ALT+ENTER (Display the Properties dialog box, if any, for theselected item)
7. F2 key (Rename the selected item)
8. CTRL+F4 (Close the active console window. When a console has only one console window, this shortcut closes the console)
Remote Desktop Connection Navigation
1. CTRL+ALT+END (Open the Microsoft Windows NT Security dialog box)
2. ALT+PAGE UP (Switch between programs from left to right)
3. ALT+PAGE DOWN (Switch between programs from right to left)
4. ALT+INSERT (Cycle through the programs in most recently used order)
5. ALT+HOME (Display the Start menu)
6. CTRL+ALT+BREAK (Switch the client computer between a window and a full screen)
7. ALT+DELETE (Display the Windows menu)
8. CTRL+ALT+Minus sign (-) (Place a snapshot of the active window in the client on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing PRINT SCREEN on a local computer.)
9. CTRL+ALT+Plus sign (+) (Place asnapshot of the entire client window area on the Terminal server clipboardand provide the same functionality aspressing ALT+PRINT SCREEN on a local computer.)
Microsoft Internet Explorer Keyboard Shortcuts
1. CTRL+B (Open the Organize Favorites dialog box)
2. CTRL+E (Open the Search bar)
3. CTRL+F (Start the Find utility)
4. CTRL+H (Open the History bar)
5. CTRL+I (Open the Favorites bar)
6. CTRL+L (Open the Open dialog box)
7. CTRL+N (Start another instance of the browser with the same Web address)
8. CTRL+O (Open the Open dialog box,the same as CTRL+L)
9. CTRL+P (Open the Print dialog box)
10. CTRL+R (Update the current Web )

বিজ্ঞান

★ সুষম খাদ্যের উপাদান - ৬ টি
★ প্রোটিন বেশি থাকে -- মসুর ডালে।
★ হাড় ও দাতকে মজবুত করে -- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
★ চা পাতায় থাকে -- ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
★ ম্যালিক এসিড -- টমেটোতে পাওয়া যায়।
★ ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে -- ভিটামিন কে।
★ Natural Protein এর কোড নাম -- Protien - P 49
★ কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান --- লৌহ উপাদানের জন্য।
★ খিটামিন সি হলো -- অ্যাসকরবিক এসিড
★ তাপে নষ্ট হয় -- ভিটামিন সি।
★ অামিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি --- শুটকী মাছ।
★ গলগল্ড রোগ হয় -- অায়োডিনের অভাবে।
★ মানবদেহ গঠনে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি --- অামিষের।
★ অায়োডিন বেশি থাকে -- সমুদ্রের মাছে।
★ কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে অাছে -- ক্যালসিয়াম অক্সালেট।
★ রাতকানা রোগ হয় -- ভিটামিন এ এর অভাবে।
★ মুখে ও জিহবায় ঘা হয় -- ভিটামিন বি₂ এর অভাবে।
★ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন -- ভিটামিন বি ও সি
★ শিশুদের রিকেটাস রোগ হয় -- ভিটামিন ডি এর অভাবে।
★ মিষ্টি কুমড়া -- ভিটামিন জাতীয় খাদ্য।
★ মিষ্টি অালু -- শ্বেতস্বার জাতীয় খাদ্য।
★ শিমের বিচি -- অামিষ জাতীয় খাদ্য।
★ দুধে থাকে -- ল্যাকটিক এসিড।
★ অায়োডিনের অভাবে -- গলগন্ড রোগ হয়।
★ হেজ তৈরিতে ব্যবহৃত উদ্ভিদ -- করমচা
★ লেবুতে বেশি থেকে -- ভিটামিন সি
★ অামলকী, লেবু, পেয়ারা ভিটামিনের উৎস -- ভিটামিন সি।
★ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান -- দুধে।
★ রক্তশূন্যতা দেখা দেয় -- অায়রনের অভাবে।
★ দুধের রং সাদা হয় -- প্রোটিনের জন্য।
★ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম -- অ্যাসকরবিক এসিড।
★ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -- অ্যামাইনো এসিড।
★ কচুশাকে বেশি থাকে -- লৌহ।
★ সুষমখাদ্যে শর্করা, অামিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত -- ৪:১:১
★ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে -- খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন।
★ সবচেয়ে বেশি পাটাশিয়াম পাওয়া যায় -- ডাবে।
★ মাড়ি দিয়ে পুজি ও রক্ত পড়ে -- ভিটামিন সি এর অভাবে।
★ মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন -- অামিষ জাতীয় খাদ্যে
★ সূর্য কিরণ হতে পাওয়া যায় -- ভিটামিন ডি।
★ ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন থাকে -- অ্যালবুমিন
★ অামিষের কাজ -- দেহ কোষ গঠনে সহয়তা করা।
★ মোটামুটি সম্পূর্ণ বা অাদর্শ খাদ্য বলা হয় -- দুধকে।
★ কোলেস্টরল -- এক ধরণের অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল।
★ কোলাজেন -- একটি প্রোটিন।
★ হাড় ও দাত তৈরির জন্য প্রয়োজন -- ডি ভিটামিন
★ ভিটামিন ডি এর অভাবে -- রিকেটস রোগ।
★ অস্থির বৃদ্ধির জন্য পোয়োজন -- ক্যালসিয়াম।
★ মলা মাছে থাকে -- ভিটামিন ডি।
★ সহজে সর্দি কাশি হয় -- ভিটামিন সি এর অভাবে।
★ বিষাক্ত নিকোটিন থাকা -- তামাকে।
★ ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে -- অাল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি।
★ শরীরে শক্তি যোগাতে দরকার -- খাদ্য
★ সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায় -- অায়োডিন।
★ সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল -- পেয়ারা।
★ ভিটামিন এ সবচেয়ে বেশি -- গাজরে।
★ মানুষের প্রোটিনের অভাবে -- কোয়াশিয়কর রোগে।
★ অায়োডিন পাওয়া যায় -- শৈবালে।
★ অামাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন -- ২৫০০ ক্যালরি।
★ গ্লুকোজের স্থূল সংকেত -- CH2O
★ ল্যাথারাইজম রোগ -- খেসারি ডাল খেলে।
★ শরীরের হাড় ও দাতের গঠনের কাজে বেশি প্রয়োজন -- ক্যালসিয়াম

Monday, August 31, 2015

বিজ্ঞানের গল্প - ১

'Lady with the Lamp', দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আহত সৈনিকরা এ নামেই ডাকতেন ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলকে। আজ থেকে কত বছর আগে উনি শিখিয়ে গিয়েছেন আধুনিক নার্সিং আর আহতের সেবা। ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল- জন্ম-ইটালী, ১৮২০। অবস্থাপন্ন ঘরের মেয়ে ছিলেন। পিতা উইলিয়াম নাইটেঙ্গেল, হ্যাম্পসায়ারের বাসিন্দা আদতে যা জানা যায় জমিদার ছিলেন। প্রথাগত শিক্ষার বাইরেও তিনি কন্যা ফ্লোরেন্সকে বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী করে তোলেন। অত্যন্ত প্রাচুর্যের মধ্যে মানুষ হয়েও ফ্লোরেন্স বেঁকে বসলেন বিয়েতে। এবং মা ও বাবার অমতে ঠিক করলেন নার্সিং করবেন। গোঁড়া ইংরেজ বাবা- মা মোটেই খুশী হননি সেদিন এই জেদী মেয়েটির কথা শুনে। যে বয়সে মেয়ের বিয়ে করে থিতু হবার কথা সে মেয়ে বলে কিনা সেবা করবে! নাছোড়বান্দা মেয়েও। এক কথায় ফিরিয়ে দিলে লর্ড হাউটনকে বিয়ের কথা পাড়া মাত্র।
অগত্যা মানতে হল মা-বাবাকে। তিনি নার্সিং পড়াশোনা করলেন টানা দুবছর কেইসেরেথ, জার্মানীতে । অত্যন্ত কঠিন সে ট্রেনিং শেষে মা ফ্যানি নাইটএঙ্গেলকে লিখলেন- এটুকুই চান জীবনে ("This is Life! I wish for no other world but this.")। পৃথিবীর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ইতিহাস সেদিনই পেল নার্সিং-এর অনন্য নজির।
এর মধ্যে লণ্ডনের বিভিন্ন হাসপাতালে এলিজাবেথ ব্ল্যাকওয়েলের সাথে কাজ করেছেন মেডিসিনের ওপর । অনুপ্রানিত হয়েছেন এলিজাবেথের ব্যাক্তিত্ব আর বুদ্ধিমত্তায়। তো এই এলিজাবেথ কে? এলিজাবেথ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহিলা চিকিতসক। মূলতঃ তার অনুপ্রেরনায় ফ্লোরেন্স যোগ দিয়েছিলেন নার্সিং ট্রেনিংয়ে। শিক্ষা শেষে ফ্লোরেন্স যোগ দিলেন হার্লে স্ট্রীট,লন্ডনে মানসিক হাসপাতালে।
এই সময় ক্রিমেন যুদ্ধ শুরু হল ইংল্যান্ড আর রাশিয়ার মধ্যে মুলতঃ তুর্কীর অধিকার নিয়ে। ব্রিটিশদের প্রাথমিক জয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যাচ্ছিল তাদের সৈন্যের মৃত্যুতে। ব্রিটিশদের মিলিটারি হাসপাতালে আর ক্যাম্পে অসংখ্য সৈন্য প্রাথমিক চিকিতসার অভাবে মারা যেতে লাগল প্রতিদিন। এর সাথে যোগ হয়েছিল কলেরা, ডাইরিয়া মহামারীর মত। সিডনী হারবার্ট, ব্রিটিশ সেক্রেটারী শেষ পর্যন্ত কঠিন সমালোচনার মুখে পড়ে ফ্লোরেন্সকে দায়িত্ব দিলেন এই মহামারী সামলাবার। সে আমলে যুদ্ধক্ষেত্রে মোটেই মেয়েদের থাকা বা কাজ করা সহজ ছিলনা। ১৮৫৪ সালের নভেম্বর মাসে সাথে প্রায় চল্লিশ জন দৃঢ় মানসিকতার নার্স নিয়ে আর প্রচুর পরিমানে ওষুধ নিয়ে ফ্লোরেন্স এলেন সোজা যুদ্ধক্ষেত্রে। যা দেখলেন তিনি ভাবতেও পারেননি। তার নিজের ভাষায়-
"The sanitary conditions of the hospital were inferior to the poorest homes in the worst section of any large city. Often the wounded men were left lying in their fighting clothes."
অসংখ্য আহত প্রাথমিক চিকিতসাটুকু না পেয়ে পড়ে আছে মাটিতে। ফ্লোরেন্স আস্তে আস্তে সেনাবাহিনীর আহত সৈনিকদের কাছে হয়ে উঠলেন প্রবাদ। দিনরাত একটানা কাজ করে যেতেন ফ্লোরেন্স আর সহকর্মীরা হাসপাতালগুলোকে মানবিক চেহারা দেওয়ার জন্য। কয়েকটি বিশেষ জায়গা যেগুলোকে এই আধুনিক যুগে নার্সিং এর প্রাথমিক ধরা হয় এখানে উল্লেখ করা যাক।
প্রথমে পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছনতা – লিস্টারস এন্টিসেপ্টীক আসার আগে যার প্রাথমিক ধারনা ফ্লোরেন্স গড়ে দিয়ে যান। উল্লেখযোগ্য পাস্তুরের গবেষনা কাল তার কাজের অনেক পরে। অর্থাৎ জীবানুর ধারনা তৈরী করে দিয়ে যান তিনি।
প্রথমেই এবিষয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি কি কি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন আজ থেকে ১০০ বছর আগে একবার চোখ বোলানো যেতে পারে। এখনকার যেকোন হাসপাতালে একটা পুরো ম্যানেজমেন্ট টিম যা সামলাতে ব্যাস্ত থাকে তিনি ওই যুদ্ধক্ষেত্রে তা একা সম্ভব করেছিলেন।
ক) নিয়মিত মিলিটারি হাসপাতালের মেঝে পরিস্কার
খ) আলাদা রান্নাঘর- পুষ্টিগুন সম্পন্ন খাবার সরবরাহ
গ) পৃথক লন্ড্রি সৈনিকদের
ঘ) পৃথক ঔষধাগার ও তার রক্ষনাবেক্ষনের প্রশিক্ষন
ফলাফলঃ ফ্লোরেন্স এই গুরুদায়িত্ব পালন করেন অসীম নিষ্ঠার সাথে। রাশিবিদ্যা বলছে তার সময়ে মৃত্যর হার ৯০ শতাংশের নিচে নেমে যায়।
ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের আসল সাফল্য এ সব কিছুর ওপরে। রাত নেমে আসার পর হাতে দীপশিখা নিয়ে একা ঘুরে বেড়াতেন অসুস্থ সেনাদের পাশে। শুনতেন তাদের কথা। সেনাদের কাছে তাই ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল – এঞ্জেল- Lady with the lamp. ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাতেন আহত সেনাদের পাশে তাদের প্রিয়জনের অভাব দূর করে দিতেন পরম মমতায়। আজকের রেড ক্রশ তার এই সেবাপরায়নায়তায় অনুপ্রানিত সন্দেহ নেই।১৮৫৬ সালে তিনি ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন। আর্মি হাসপাতালের যে দূরবস্থা তিনি নিজে দেখেছিলেন সেগুলি নিয়ে গড়ে তোলেন জনমত। এই কাজে তিনি পাশে পেয়েছিলেন তদানীন্তন ব্রিটিশ রানী ভিক্টোরিয়াকে। তার অক্লান্ত সাধনায় তৈরী হল “ আর্মি মেডিকেল কলেজ”।
তার প্রকাশিত বইঃ
ক) নোটস অন হসপিটাল
খ) নোটস অন নার্সিং
প্রতিষ্ঠা করে যান “ নাইটএঙ্গেল স্কুল অফ নার্সেস” সেন্ট থামাস হসপিটালে।
শেষ দিকে ফ্লোরেন্স নাইটএঙ্গেল অসুস্থ হয়ে পড়েন ও ১৮৯৫ সালে দৃষ্টিশক্তি হারান। তারপরও তিনি পনের বছর বেঁচে ছিলেন। ১৯১০ সালে তার মৃত্যু হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে তার অবদান স্মরন করে পালিত হয় ”সেবিকা দিবস”।

Wednesday, August 5, 2015

★★ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বীজগাণিতিক সূত্রাবলী ★★



1. (α+в)²= α²+2αв+в²
2. (α+в)²= (α-в)²+4αв b
3. (α-в)²= α²-2αв+в²
4. (α-в)²= f(α+в)²-4αв
5. α² + в²= (α+в)² - 2αв.
6. α² + в²= (α-в)² + 2αв.
7. α²-в² =(α + в)(α - в)
8. 2(α² + в²) = (α+ в)² + (α - в)²
9. 4αв = (α + в)² -(α-в)²
10. αв ={(α+в)/ 2}²-{(α-в)/2}²
11. (α + в + ¢)² = α² + в² + ¢² +
2(αв + в¢ + ¢α)
12. (α + в)³ = α³ + 3α²в + 3αв² +в³
13. (α + в)³ = α³ + в³ + 3αв(α +в)
14. (α-в)³=α³-3α²в+ 3αв²-в³
15. α³ + в³ = (α + в) (α² -αв + в²)
16. α³ + в³ = (α+ в)³ -3αв(α+ в)
17. α³ -в³ = (α -в) (α² + αв + в²)
18. α³ -в³ = (α-в)³ + 3αв(α-в)